২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোলাম মাওলা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০১৮ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেন এবং পরাজিত হন। তিনি আবারও সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন চাইতে পারেন বলে আলোচনা হচ্ছে।
পটুয়াখালী-৩ আসনে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. নুরুল হকের (ভিপি নুর) সাংগঠনিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। এই আসনে শেষবার বিএনপির হয়ে নির্বাচন করেছিলেন গোলাম মাওলা রনি, যিনি বলেছেন, ‘তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের বাইরে কিছু হবে না। ২২ অক্টোবর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী একটি চিঠির মাধ্যমে পটুয়াখালী-৩ আসনে (গলাচিপা-দশমিনা) নুরুল হককে জনসংযোগ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। নুরুল হক পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং এই আসনে তাঁর নির্বাচন করার গুঞ্জন দীর্ঘদিন ধরে চলছে। চিঠিটি প্রকাশিত হওয়ার পর বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
চিঠির বিষয়ে গোলাম মাওলা প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখনো আমি এ ব্যাপারে কিছু জানি না, আপনাদের কাছ থেকে শুনলাম। তবে রাজনীতিতে আওয়ামী লীগে শেখ হাসিনা সবকিছু, বিএনপিতে তারেক রহমানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।’ নুরুল হক বর্তমানে তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। গোলাম মাওলা বলেন, ‘এটা বাস্তবতা। যেখানে আমীর খসরু, মির্জা ফখরুলসহ সিনিয়র নেতারা নুরের সঙ্গে দেখা করতে যান, সেখানে তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত প্রশ্ন করা অযৌক্তিক।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিএনপির কমিটিতে নেই। তারেক রহমান বা রিজভী সাহেব আমাকে কিছু বলেননি। যদি আমাকে বলা হতো, তাহলে আমি প্রতিক্রিয়া জানাতাম।’রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘গত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলনে নুরুল হক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর সংসদীয় এলাকায় জনসংযোগ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিষয়টি অবহিত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করতে বলা হয়েছে। এই আদেশ অত্যন্ত জরুরি। বিস্তারিত
